-20%
,

সুন্দরবনের খাঁটি মধু

(5 customer reviews)
Hatbazar365.com
Availability:

45 in stock


  • মধু সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ❝মৌমাছির পেট থেকে বিভিন্ন রঙের সুস্বাদু পানীয় বের হয়। এতে রয়েছে মানুষের জন্য আরোগ্য। নিশ্চয় এর মধ্যে রয়েছে চিন্তাশীল জাতির জন্য নির্দশন।❞ (সূরাঃ নাহাল, আয়াতঃ ৬৯)
  • দেশে মধু উৎপাদনের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হচ্ছে সুন্দরবন। দেশে উৎপাদিত  মোট মধুর ২০% সুন্দরবনে পাওয়া যায়।
  • রং, স্বাদ ও পুষ্টিতে এই মধু পরিপূর্ণ।
  • সুন্দরবনের বেশির ভাগ মধু কেওড়াগাছের ফুল থেকে পাওয়া যায়।
  • খাঁটি উৎসের এই খাঁটি মধুতে কোনো রকম কটু গন্ধ থাকে না।
  • এই মধুর গন্ধ এবং স্বাদ মিষ্টি ও আকর্ষণীয়। এতে কোনও রকম ঝাঁঝালো ভাব নেই।

৳ 250৳ 800

Clear

সুন্দরবনের খাঁটি মধু

দেশে মধু উৎপাদনের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হচ্ছে সুন্দরবন। ১৮৬০ সাল থেকে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করা হয়। বনসংলগ্ন একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠী বংশপরম্পরায় মধু সংগ্রহ করে। এদেরকেই মৌয়াল বলা হয়। দেশে উৎপাদিত  মোট মধুর ২০% সুন্দরবনে পাওয়া যায়। মধু সংগ্রহের জন্য প্রতিবছরের ১ এপ্রিল থেকে তিন মাসের (এপ্রিল, মে ও জুন) জন্য বন বিভাগ মৌয়ালদের অনুমতিপত্র (পাস) দেয়। আর সময় নষ্ট না করে শুরুর দিন থেকেই মধু সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে মৌয়ালরা।

মধু সংগ্রহ করতে যাওয়ার আগে বিশেষ প্রার্থনা করে নেন মৌয়ালরা ৷  কারণ সেখানে বাঘের ভয়ের পাশাপাশি আছে ডাকাতের ভয় ৷ কেউ কেউ পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে যান। মধু সংগ্রহের কিছু নিয়মনীতি ঠিক করে দিয়েছে বন বিভাগ, যেমন- মৌচাক থেকে মৌমাছি সরানোর সময় আগুনের ধোঁয়া ব্যবহার করতে হবে – এরকম নিয়ম আছে৷ মৌয়ালরা এখন সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি হাইজেনিক পদ্ধতিতেও সুন্দরবন থেকে মধু ও মোম সংগ্রহ করছে। যার ফলে মধু ও মোম সংগ্রহের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে । পরিচ্ছন্নভাবে মধু সংগ্রহ এবং এর গুণগত মানও বজায় রাখার জন্য বেসরকারি সংগঠনগুলো মৌয়ালদের যন্ত্রপাতি বিতরণ করছে।

আসলে সুন্দরবনের মধু নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। স্বাদ ও পুষ্টিতে এই মধু অনন্যসাধারণ হওয়ার কারণ হলো এর প্রাকৃতিক উৎস। সাধারণত মধুর রং, স্বাদ ও গন্ধ নির্ভর করে উৎস ফুলের বৈশিষ্ট্যের উপর। বরই ফুলের বা সরিষা ফুলের সাথে রং, স্বাদ ও গন্ধের দিক থেকে সুন্দরবনের মধুর ভিন্নতার কারণও তাই স্পষ্ট। সুন্দরবনের বেশির ভাগ মধু কেওড়াগাছের ফুল থেকে পাওয়া যায়। ইদানীং সুন্দরবন থেকে আলাদাভাবে চাকসহ কেওড়া ও খলিশা ফুলের মধুও সংগ্রহ করা হয়। খাঁটি উৎসের এই খাঁটি মধুতে কোনো কটু গন্ধ থাকে না। মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক কোনো উপাদান প্রাকৃতিক গাছে থাকলেও এর কোনো প্রভাব মধুতে থাকে না। আলহামদুলিল্লাহ।

খাঁটি মধু চেনার ৮ উপায়

মধু পছন্দ করেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। সব বয়সের মানুষের রয়েছে মধুর প্রতি আসক্তি। এতে রয়েছে ৪৫টিরও বেশি খাদ্য উপাদান। সেই সঙ্গে এটি উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি ভেষজ তরল। মধুতে রয়েছে নানা রকম রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা। প্রাচীন কাল থেকেই গ্রিস ও মিশরে ক্ষত সারানোর কাজে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে সময়ে বাজারে যে নানান রঙের মোড়কে মধু পাওয়া যায়, সেটা কি আসল না ভেজালযুক্ত? সুন্দরবনের খাঁটি মধুর নাম দিয়ে ভেজাল, রাসায়নিকযুক্ত উপাদান বিক্রি করাও এখন খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা। শুধু তাই নয়, অনেক নামী সংস্থার প্রক্রিয়াজাত মধুতেও মেলে ভেজাল। তাই চলুন, জেনে নেয়া যাক খাঁটি মধু চেনার কিছু সহজ উপায়।

# মধুতে কখনও কটু গন্ধ থাকবে না। খাঁটি মধুর গন্ধ হবে মিষ্টি ও আকর্ষণীয়।

# মধুর স্বাদ হবে মিষ্টি, এতে কোনও ঝাঁঝালো ভাব থাকবে না।

# বেশ কিছুদিন ঘরে রেখে দিলে মধুতে চিনি জমতেই পারে। কিন্তু যদি বয়ামসহ মধু গরম পানিতে কিছুক্ষণ রেখে দেখতে পান যে, এই চিনি গলে মধু আবার স্বাভাবিক হয়ে আসছে, তাহলে এটি খাঁটি মধু। কারণ নকল মধুর ক্ষেত্রে এটা হবে না।

# গ্লাসে বা বাটিতে খানিকটা পানি নিন। তার মধ্যে এক চামচ মধু দিন। যদি মধু পানির সঙ্গে সহজেই মিশে যায়, তাহলে বুঝবেন যে এটা অবশ্যই নকল। আসল মধুর ঘনত্ব পানির চাইতে অনেক বেশী, তাই তা সহজে মিশবে না। এমনকি নাড়া না দিলেও মধু পানিতে মিশবে না।

# একটি মোমবাতি নিয়ে সেটির সলতেটি ভালভাবে মধুতে ডুবিয়ে নিন। এবার আগুন দিয়ে জ্বালাবার চেষ্টা করুন। যদি জ্বলে ওঠে, তাহলে বুঝবেন যে মধু খাঁটি। আর যদি না জ্বলে, বুঝবেন যে মধুতে পানি মেশানো আছে।

# এক টুকরো ব্লটিং পেপার নিন, তাতে কয়েক ফোঁটা মধু দিন। যদি কাগজ তা সম্পূর্ণ শুষে নেয়, বুঝবেন মধুটি খাঁটি নয়।

# এক টুকরো সাদা কাপড়ে মধু মাখান। আধ ঘণ্টা রাখুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি দাগ থেকে যায়, বুঝবেন মধুটি খাঁটি নয়।

# শীতের দিনে বা ঠাণ্ডায় খাঁটি মধু দানা বেঁধে যায়।

খাঁটি মধু টেস্ট করার আরও কিছু উপায় রয়েছে। যেমনঃ-

১)  খাঁটি মধু যাচায়ের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট ও নির্ভরযোগ্য পরিক্ষা হল খাটি মধু কুকুর কে দিলে কখোনো খাবেনা। (কারন মধু একটি গরম খাদ্য কুকুর গরম খাদ্য খায় না)

২) খাটি মধু ডিপ ফ্র্রিজের মধ্যে রেখে দিলে বরফ জমাট হবেনা তবে ঘনত্ব বাড়বে। বিঃদ্রঃ-মধু ডিপ ফ্রিজে রাখলে মধুর গুনাগুন অক্ষুণ্ণ থাকেনা (টেষ্ট কারার জন্য অল্প মধু এটা পাত্রে নিয়ে ডিপফ্রিজে দিলে আমাদের প্রতি আপনার বিশ্বাস বাড়বেই)।

৩ মধু বতোলে নিয়ে ঝাকি দিলে রং পরিবর্তন হবে এবং পরিমানে বেড়েযাবে। (হাওয়া হওয়ার কারোনে কাচের বতল বাস্ট হয়েযেতে পারে)

Weight 1000 g
নাম সুন্দরবনের খাঁটি মধু
ওজন
ব্র্যান্ড
সংগ্রহ সুন্দরবন
দেশ বাংলাদেশ

Based on 5 reviews

5.0 overall
5
0
0
0
0

Add a review

  1. মোঃ কাজী ইব্রাহিম

    এক সময় বিভিন্ন জায়গা থেকে মধু কিনে বার বার ঠকেছি। এমন হয়েছে যে, এক জায়গা থেকে মধু কিনে এক এক বার এক এক রকম পেয়েছি। ছোট বেলায় মফঃস্বলে গাছ থেকে পাড়া মধুর স্বাদ ঢাকা এসে একবারও পাই নাই। দু’এক সময় সুযোগ পেলে উপস্থিত থেকে চাক ভাঙ্গা মধু সংগ্রহ করতাম। কিন্তু সেভাবে কতটুকুই বা পাওয়া যায়। তাছাড়া সেটাতেও ভেজাল, আর বেশীর ভাগ সময় মধুর মানও ভাল থাকত না। তাই ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে মধু কেনাই সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে দেই। অনেক বছর আমার বাসায় কোন মধু কেনা হত না। একটা কথা বলে রাখি, দোকানে পাওয়া যাওয়া মধু আমার দুই চোখের বিষ। যেমন জঘন্য স্বাদ, তেমনই কোন কাজের না। সেটা যত বড় ব্রান্ড হোক না কেন। না কিনলেও মধুর প্রতি আমার টান কিন্তু কমেনি। খোজে থাকতাম কোথায় ভাল মধু পাওয়া যায়। এভাবেই এক সময় খোজ পাই hatbazar365.com সাইটের। ধন্যবাদ।

    মোঃ কাজী ইব্রাহিম

  2. Sohel Rana

    খুবই চমৎকার মধু। আমার জিবনে খাওয়া সেরা একটি মধু। ধন্যবাদ।

    Sohel Rana

  3. আমির হামযা

    অসাধারণ মধু …আমার কাছে…দারুণ লাগসে…শুধু স্বাদ না মানটাও ভালে লাগসে

    আমির হামযা

  4. স্বপন হোসেন

    আমি এখান থেকে অনেক প্রকার মধু খেয়েছি এবং এখনো নিয়মিত খাচ্ছি। আমার কাছে খাটি মনে হয়েছে।

    স্বপন হোসেন

  5. ইলিয়াস হোসেন

    সাধারণত আমি মধু তেমন খাই না, তবে মধু আমি খুব পছন্দ করি। অন্যান্য মধুর চেয়ে এই সুন্দরবনের মধু আমার কাছে বেশি ভালো লাগে।

    আমাদেরকে খাঁটি মধু খাওয়ানোর জন্য hatbazar365.com কে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।

    ইলিয়াস হোসেন

You may also like…